নব-দিগন্ত নিউজ ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ স্থগিত হওয়ার পরেই বিসিসিআই আইপিএলের ঘোষণা করে দেয়। এর ফলে সারাদেশে আইপিএলের সাড়া পড়ে গিয়েছে। করোনা সংক্রমণের ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে আইপিএল দেখার জন্য মুখিয়ে আছে ক্রিকেটপ্রেমীরা। প্রায় দেড় বছর পর মহেন্দ্র সিং ধোনির ভক্তরা আবার তাকে দেখতে পাবে বাইশ গজে অধিনায়ক, উইকেট কিপার এবং ব্যাটসম্যান হিসেবে। এরই মধ্যে চেন্নাই সুপার কিংস সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে যাওয়ার দিনক্ষণ ঠিক করে ফেলল।



ত্রয়োদশ আইপিএল শুরু হওয়ার কথা ছিল 29 মার্চ। তার জন্য মহেন্দ্র সিং ধোনির দল পুরোপুরি প্র্যাকটিস শুরু করে দিয়েছিল। চেন্নাই পৌঁছে সুরেশ রায়না এবং ধোনির সঙ্গে ঘন্টার পর ঘন্টা নেটে ব্যাটিং প্র্যাকটিস করে ঘাম ঝরাচ্ছিলেন চেন্নাই সুপার কিংসের একাধিক ব্যাটসম্যানরা। কিন্তু হঠাৎ করেই দেশজুড়ে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হয়ে যাওয়ায় সমস্ত ক্রীড়ামহল বাতিল হয়ে যায়। যার ফলে ধোনি এবং দলের বাকি সদস্যরা যে যার বাড়িতে ফিরে যান। কিন্তু করোনা আতঙ্ক কাটিয়ে অনেক দেশেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট শুরু করে দিয়েছে এবং শুরু হয়ে গিয়েছে ঘরোয়া বিভিন্ন টুর্নামেন্ট। এই সময় আইপিএল এর চূড়ান্ত ঘোষণা এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে ধোনি, বিরাট, রোহিতদের খেলতে দেখা যাবে এটাই ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে অনেক। 



এবারের আইপিএল শুরু হচ্ছে 19 সেপ্টেম্বর। তাই কম করে এক মাস আগে সেখানে পৌঁছানোর পরিকল্পনা করে ফেলেছে আটটি ফ্র্যাঞ্চাইজি। তবে অন্দরের সূত্রে জানা যাচ্ছে যে, চেন্নাই আগস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহেই চলে যাবে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে, যেখানে অন্যান্য দলের পরিকল্পনা তৃতীয় সপ্তাহে। চেন্নাই দলের তিন স্তম্ভ ধোনি, হরভজন এবং সুরেশ রায়না 2019 সালের পর আর প্রতিযোগিতামূলক কোনও ক্রিকেট খেলেননি। তাই প্রস্তুতিতে যেন বেশি সময় দেওয়া যায় তার জন্য আগেই চলে যাওয়ার পরিকল্পনা করে ফেলেছে চেন্নাই সুপার কিংস। 



সব ঠিকঠাক থাকলে সরকারের অনুমতি পেয়ে গেলে আগামী সপ্তাহেই টুর্নামেন্টের তালিকা সূচি ঘোষিত হয়ে যাবে। প্রতিবারের মতো অন্যান্য দেশের ক্রিকেটাররাও এবছর আইপিএলে অংশ নেবে। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেট বোর্ড তাদের দেশের ক্রিকেটারদের ছাড়ার বিষয়টি এখনো ভেবে দেখছে যার ফলে তারা অনিশ্চিত থাকতে পারে।

আপনার মতামত জানান

পূর্ববর্তী খবর পরবর্তী খবর