নব-দিগন্ত নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় দলকে সম্পূর্ণভাবে বদলে দেওয়ার অনুঘটক হলেন ক্রিকেটের দাদা সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। এমনটাই বললেন ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার নাম ডেভিড লয়েড। ডেভিড লয়েডের মতে সৌরভ গাঙ্গুলীর ছোঁয়ায় ভারতীয় দলে যে উচ্চপর্যায়ের রূপান্তর হয়েছিল, সেটাকে আরেক উচ্চ পর্যায়ে তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন বিরাট কোহলি।
সৌরভ গাঙ্গুলীর অধিনায়কত্বে ভারত ২০০১ সালে ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে টেস্ট সিরিজে ২-১ এ হারিয়েছিল। তারপর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অস্ট্রেলিয়াতে টেস্ট সিরিজ ড্র করার মাধ্যমে Border-Gavaskar ট্রফি ধরে রেখেছিল সৌরভ গাঙ্গুলীর দল। একটি টিভি চ্যানেলে ৭৩ বছর বয়সী ডেভিড বলেছেন যে, "আমি সৌরভ গাঙ্গুলীর একজন বিশাল বড় ফ্যান। তিনি ভারতীয় দলের মধ্যে এমন একটা বিশ্বাস জমিয়েছিলেন যে, আমরা পেস বোলারদের ভয়ে ভয় পাব না। বরং আমরা নিজের ক্রিকেটারদের তুলে আনব। অনেকেই আগে মনে করত সৌরভ গাঙ্গুলীর ভারতীয় দল বিদেশের বাউন্সিং পিচ পছন্দ করেন না। কিন্তু সেই সৌরভ গাঙ্গুলীর ভারতীয় দলই বিদেশে গিয়েছিল বাউন্সিং পিছে প্র্যাকটিস সেরেই। তারপর ঘরের মাঠে তো ভারত সর্ব শক্তিশালী। কিন্তু একমাত্র সৌরভের হাত ধরেই ভারত বিদেশের মাটিতে ম্যাচ জেতার সাহস এনেছিল। আর তাঁকে পেছন থেকে সাহায্য করার জন্য রাহুল দ্রাবিড়, শচীন তেন্ডুলকর, যুবরাজ সিংহের মতো ক্রিকেটাররাতো ছিলই।"
সৌরভ গাঙ্গুলীর নেতৃত্বে ভারত বিদেশে ১১ টি টেস্ট জিতেছিল। ৪৯ টি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে ২১ টি টেস্ট জিতেছেন। সৌরভকে নিয়ে ডেভিড আরও বলেছেন, "যদি কোনও দলের কাছে যোগ্য স্পিনার এবং ভরসামান পেস বোলার থাকে, তাহলে ভারত ছাড়াও পুরো বিশ্ব ক্রিকেটে রাজত্ব করার সাহস এসে যায়। ভারতীয় ক্রিকেটে সৌরভের অবদান বিশাল। বিশ্ব জুড়ে ভারত যে শক্তি হয়ে উঠেছে, এর নেপথ্যে সৌরভই অনুঘটক।"
শুধু সৌরভ না তাঁর মুখে বিরাট কোহলিরও প্রশংসা শোনা গিয়েছে। তিনি বলেছেন, "ক্রিকেটের ইতিহাসে শ্রেষ্ঠত্ব বাদ দিয়েও বিরাট কোহলি একজন গ্রেট নায়ক। একজন গ্রেট ফাইটার। কিছুতেই ভয় পান না তিনি। কোহলি পিচে থাকা মানেই জেতার জন্য লড়াই করা।"

Post a Comment