করোনা ভাইরাস ডিসেম্বর মাস থেকে আঘাত হানতে শুরু করেছে। এই ভাইরাসের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল দ্রুত ফুসফুসে আক্রমণ করা। সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশানের তরফ থেকে এপ্রিল মাসে জানানো হয়, এই ভাইরাসের মোট ৬টি লক্ষণ দেখা যাচ্ছে তার মধ্যে বমি ভাব, ডায়রিয়া ও মাথা যন্ত্রণা রয়েছে এবং এই ভাইরাস এমন দ্রুতভাবে জাঁকিয়ে বসেছে যে এই ভাইরাসের উপসর্গগুলি ধরতেও চিকিৎসক মহল হিমশিম খাচ্ছে। 



চিকিৎসক মহল থেকে বলা হচ্ছে ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এই ভাইরাস খুব তাড়াতাড়ি নিজের চরিত্র বদলাচ্ছে। তার জন্য শরীরের মধ্যে ঝড়ের গতিবেগে সংক্রমিত উপসর্গ দেখা যাচ্ছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে এই ভাইরাস রোগীর ফুসফুসে নয়, রোগীর গ্যাস্ট্রো ইনটেস্টিনাল ট্র্যাকে সংক্রমণ ঘটাচ্ছে। এতে রোগী বমি করে দুর্বল হয়ে যাচ্ছে এবং আস্তে আস্তে রোগীর শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাচ্ছে। এর সঙ্গে সঙ্গে ব্লাড প্রেসার এবং সুগার কমে অনেকেরই মৃত্যু হচ্ছে।



সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, কোনও ব্যক্তি ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার পর বুঝতে পারছে না যে তার শরীরে করোনাভাইরাস বাসা বেধেছে। যখন ব্যক্তি বুঝতে পারছে ততক্ষণে সব শেষ হয়ে যাচ্ছে। হায়দরাবাদের চেস্ঠ অ্যান্ড কিং হাসপাতালের চিকিৎসকরা দেখাচ্ছেন, ২০ থেকে ৩০ জুনের মধ্যে মোট ৬৭ জন রোগী এসেছিল যাদের মধ্যে কয়েক ঘন্টার মধ্যেই মৃত্যু হয়েছে ৩০ জন রোগীর। তাদের কারো শরীরে প্রাথমিক কোনও উপসর্গ ছিল না।

আপনার মতামত জানান

পূর্ববর্তী খবর পরবর্তী খবর