উত্তর দিনাজপুর জেলা শাখার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি লক ডাউনের মাঝে ছাত্রদের বাড়িতে গিয়ে শিক্ষাদান শুরু করল। অনেকদিন পর শিক্ষালাভের সুযোগ পেয়ে অভিভাবক থেকে ছাত্র মহল - খুশি সকলেই।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে দীর্ঘদিন থেকে চলছে লক ডাউন। বন্ধ রয়েছে সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। গৃহ শিক্ষকরাও বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে শিক্ষাদান করতে পারছেন না। রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় দুঃস্থ অসহায় শিক্ষার্থীদের বাড়িতে গিয়ে শিক্ষাদানের নির্দেশ দিয়েছেন। তার দুই দিন পরেই তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে পাঠদানের ব্যবস্থা করেন।

১৪ জন ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের নিয়ে সেনিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করে শিক্ষা কর্ম শুরু করা হয় উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জ ব্লকের বরুণা গ্রাম পঞ্চায়েতের কুশগ্রামের আদিবাসী পাড়ায়। সেখানে ছড়া, অঙ্ক কষানো ইত্যাদি করানো হয়।


করোনা ভাইরাসের কারণে লক ডাউনের জন্য পড়াশোনা পিছিয়ে যাওয়ার কারণে খুবই সমস্যার সামনে পড়েছে বেশ কিছু আদিবাসী পরিবার।  শিক্ষাদানের পাশাপাশি তাই বিনেপয়সায় ১৪ রকমের সবজি তুলে দেওয়া হয় ২০০ টি আদিবাসী পরিবারের কাছে। গৌরাঙ্গ চৌহান (সংগঠনের জেলা সম্পাদক) জানিয়েছেন, তারা পাঠদান শুরু করেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নির্দেশে। এবং আগামীতে তারা রায়গঞ্জ ব্লকের ভাটোল, বিন্দোল গ্রামের আদিবাসী পাড়ায় বাড়িতে ও আরও অনেক জায়গায় গিয়ে গিয়ে পাঠদান করবেন। সেখানকার এক অধিবাসী মণিকা পাহান বলেন, লক ডাউনের জন্য লেখাপড়া বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো। শিক্ষকরা বাড়িতে এসে শিক্ষাদান করাতে সকল অভিভাবকরাই খুশি।

তবে, যেভাবে করোনা তার থাবা বসিয়েছে, তাতে বাড়ি গিয়ে শিক্ষাদান করতে গিয়ে খুঁদে পড়ুয়াদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়াবে না তো? সেই প্রশ্নই এখন সর্বত্র।

আপনার মতামত জানান

পূর্ববর্তী খবর পরবর্তী খবর