সর্বভারতীয় স্তরে এ.আই.ই.ই.ই পরীক্ষায় সপ্তম স্থানাধিকারী তিনি। ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের প্রথম সারির উজ্জ্বল একজন ছাত্র। সবকিছু ছেড়ে দিয়ে তার চেষ্টা ছিল দূরদর্শনজগতে পা দেওয়া। তারপরেই জনপ্রিয় টিভি সিরিয়ালের সুযোগ পেয়ে যাওয়া। সোনার জুটি গড়ে তুলেছিলেন তিনি 'পবিত্র রিস্তা' তে অঙ্কিতা লোখন্ডের সঙ্গে। সেখান থেকে পা রাখেন বলিউডে। মাত্র ৩৪ বছর পার হতে হতেই বলিউডকে রঙ্গিন করে তোলেন তিনি। এই কাহিনীটা যদি ছাপা হয় টিভির পর্দায়!
সুশান্তের মৃত্যুর পর ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে তার বায়োপিক নিয়ে ভাবনা চিন্তা। ২০২২ নাগাদ পরিচালক নিখিল আনন্দের পরিচালনায় এই বায়োপিকটি মুক্তি পেতে পারে। ছবিটি তামিল, হিন্দি, তেলুগু এই তিন ভাষায় তৈরি করা হবে। পরিচালক নিখিল আনন্দ বলেছেন, প্রতিটা মানুষের ইন্সপিরেশন এই সুশান্ত আজ আমাদের মধ্যে নেই। শিল্পী তো বটেই একজন মানুষ হিসেবেও তিনি ছিলেন মহান।
নিখিল আনন্দ জানান আগামী দুই মাসের মধ্যেই এই ছবির কাজ শুরু হয়ে যাবে। এই অবসর সময়ে গল্পের স্ক্রিপ্ট, কাস্ট নিয়ে ভাবা হচ্ছে। এমন কি সুশান্তের ভূমিকায় কে অভিনয় করবে তা এখনো ভাবা হয়নি। শোকের বাতাস কমলে সুশান্তের পরিবারের সাথে পরিচালক কথা বলবেন।

Post a Comment