চলছিল উত্তেজনা কমানোর প্রচেষ্টা। কিন্তু তারই মধ্যেই হঠাৎ সংঘর্ষ। লাদাখে গালোয়ান উপত্যকায় ভারত ও চিনের সেনার সংঘর্ষ ঘিরে চরম অশান্তি শুরু হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আবারও হুঁশিয়ারি দিল বেজিং। চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ঝাও লিঝিয়ান বলেন, "ভারতীয় সেনাবাহিনী যদি সীমান্ত পেরনো বা এক তরফা পদক্ষেপের মতো কিছু করে তাহলে সীমান্ত পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।" তাঁর মতে দুই দেশই সীমান্তে শান্তি রক্ষার জন্য আলোচনা চালাচ্ছিল। চিনের বিদেশমন্ত্রক সেই শান্তি বিঘ্নিত করে সংঘর্ষের দায় ভারতের ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়।
শুরু থেকেই হামলার দায় ভারতের উপরেই চাপিয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টায় চিন। চিনের বিদেশমন্ত্রক জানান, "সীমান্ত পেরিয়ে ভারতীয় বাহিনী চিনা বাহিনীর উপর হামলা চালায়। তারপরই পাল্টা হামলা চালায় চিনা বাহিনী।" নয়াদিল্লি যেন কোনও নতুন পদক্ষেপ না করে সে বিষয়েও চিনের তরফ থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, লাদাখে চীনা সেনার হামলার পর গতকাল মাঝরাতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী, বিদেশমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় সেনার চিফ জেনারেল এমএম নারাভানে। বুধবার নিয়ন্ত্রনরেখায় চিনের আগ্রাসনের ক্ষেত্রে তা মোকাবিলা করতে সেনাকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছে কেন্দ্র। শান্তি বজায় রাখার চেষ্টা করা হলেও সীমান্তে ভারতের এলাকায় চিনের প্রবেশ ও আগ্রাসন মেনে নেবে না বলে ভারতের তরফ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়।

Post a Comment