কেন্দ্রীয় সরকার চা বাগান খোলার কথা বললেও এই মুহূর্তে চা বাগান খোলা যাবে না, জানিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । মুখ্যমন্ত্রীর এই নির্দেশকে স্বাগত জানাল উত্তরবঙ্গের চা শ্রমিক সংগঠনের যৌথমঞ্চ । তবে, চা বাগান বন্ধ থাকলেও শ্রমিকরা যাতে মজুরি পান এবার মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সেই আবেদন করলেন যৌথ মঞ্চের সদস্যরা ।



 উত্তরবঙ্গে চা বাগানের সঙ্গে জড়িত আছে প্রায় সাড়ে তিন লাখ শ্রমিক । লকডাউন এর জেরে বন্ধ কাজকর্ম । ফলে দুবেলা খাবার জোটাতে হচ্ছে অনেক সমস্যা । এদিকে লকডাউন এর আগেই ভিন রাজ্য থেকে বহু শ্রমিক চা বাগানে ফিরেছেন । ফলে তাদের থেকেও সংক্রমণের একটা ভয় রয়েছে । সব দিক বিচার করেই মুখ্যমন্ত্রী চা বাগান না খোলার নির্দেশ দেন । এই নির্দেশকে স্বাগত জানাল উত্তরবঙ্গের চা শ্রমিক সংগঠনের যৌথমঞ্চ । কিন্তু এই পরিস্থিতিতে শ্রমিকদের সংসার চলবে কীভাবে ? তাঁরা আয় করবেন কীভাবে? তাই চা শ্রমিকদের কথা মাথায় রেখে পূর্ণ মজুরির দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছেন যৌথ মঞ্চের সদস্যরা ।



 যুগ্মমঞ্চের মুখপাত্র জিয়াউর আলম বলেন, "বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলির পরিস্থিতি নজরে রেখে মুখ্যমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানিয়েছি। জয়েন্ট ফোরাম সরকারের কাছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দাবি পেশ করেছে। চা-শ্রমিকদের পূর্ণ বেতনের কথাও বলা হয়েছে।



 পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে যুগ্মমঞ্চের মুখপাত্র জিয়াউর আলম জানিয়েছেন, উত্তরবঙ্গের বন্ধ চা বাগানগুলিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের জোগান দিতে হবে। এলাকার সাধারণ মানুষকে রেশন ব্যবস্থার সাথে প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী সরবরাহ করতে হবে ।

আপনার মতামত জানান

পূর্ববর্তী খবর পরবর্তী খবর