সীমান্ত সংঘর্ষে শহীদ হয়েছেন ২০ ভারতীয় জওয়ান। এরপরই গালওয়ান সীমান্তে চড়তে শুরু করে উত্তেজনার পারদ। সীমান্তে সেনা মোতায়েন করে দু'দেশই। তবে উচ্চপর্যায়ের সামরিক বৈঠকের পর পিছু হঠতে শুরু করে লাল-বাহিনী। দীর্ঘ ১১ ঘন্টার বৈঠকের পর চীন পিছু হঠায় খানিকটা হলেও নামতে শুরু করেছিল উত্তেজনার পারদ।
কিন্তু ফের সুর পাল্টালো চীন। গালওয়ান সীমান্তের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটেছে ভারতের উস্কানির ফলেই, এমনই অভিযোগ তুললো ড্রাগনের দেশ। শুধু তাই নয়, ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগও করেছে তারা।
রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ২০ ভারতীয় জওয়ানের শহিদ হওয়ার পিছনে ভারতকেই দায়ী করল লালফৌজ। চিনের বিদেশ ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, ভারতের বিদেশমন্ত্রক ও সংবাদমাধ্যমের তরফে চিনের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। গালওয়ানের ঘটনা সম্পর্কে ভ্রান্ত তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। লাদাখে চিন নয়, ভারতের তরফেই উসকানি দেওয়া হয়েছে।
যদিও চিনের সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে ভারত।

Post a Comment