বিশ্বজুড়ে বেড়েই চলেছে করোনার সংক্রমণ। এই সংক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য গবেষকরা প্রতিনিয়ত পরামর্শ দিয়ে চলেছেন জনসাধারণকে। যাতে সংক্রমিত ব্যক্তির শ্বাসবাহিত ড্রপটেলটস দ্বারা অন্য ব্যক্তির দেহে সংক্রমণ না ছড়ায়। কিন্তু গবেষকরা এখন বলেছেন করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে সংক্রমিত ব্যক্তির থেকে ছয় ফুট দূরত্ব বজায় রাখা যথেষ্ট না।


তাইওয়ানের সান ইয়াৎ সিয়াং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক চাই ওয়াং, ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক রবার্ট স্কোলে, কিম্বারলি প্রাথার তাঁদের সাম্প্রতিক গবেষণাপত্রে লিখেছেন, "প্রমাণ বলছে যে, করোনাভাইরাস ক্রমশ ভয়ঙ্কর রূপ নিচ্ছে। সংক্রমণ এড়াতে হু যে 6 ফুটের দূরত্বের কথা বলেছিল সেটা কার্যকর নয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হাঁচি বা কাশির থেকে নির্গত ড্রপলেটস অনেকক্ষণ বাতাসে ভেসে থাকে। যার দ্বারা করোনাভাইরাস ছয় ফুটের বেশি বাতাসে ভর করে অতিক্রম করতে পারে। এর ফলেই অনেক পরিমাণে ছড়াচ্ছে এই রোগ এবং রোগীদের শরীরে কোনও  উপসর্গও দেখা যাচ্ছেনা।"


এই তিন রসায়নবিদ এবং সংক্রমণবিদরা মনে করছেন যে কথা বলা, শ্বাসকার্য চালানো এবং হাঁচি-কাশির মাধ্যমে অনায়াসে করোনা এক শরীর থেকে অন্য শরীরে পৌঁছে যেতে পারে। একজন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির নাক মুখ দিয়ে নির্গত ড্রপলেটস খুব বেশিক্ষণ বেঁচে থাকতে পারে না। কিন্তু তা যদি অন্য কোনও ব্যক্তির নাকে মুখের মধ্যে প্রবেশ করতে পারে তাহলে খুব সহজেই ফুসফুসের মধ্যে পৌঁছাতে পারে। ফলে দুই ব্যক্তির মধ্যে দূরত্ব 6 ফুট থাকলেও তা সুরক্ষিত নয়। এর জন্য গবেষকরা জনসাধারণকে ঘরে এবং বাইরে সর্বদা মাস্ক ব্যবহার করার পরামর্শ দিচ্ছেন।

আপনার মতামত জানান

পূর্ববর্তী খবর পরবর্তী খবর