সুপ্রিম অর্ডারে দেশে ব্ন্ধ হয়েছে পর্ন ওয়েবসাইট। কিন্তু তা বলে কি থেমেছে পর্নের প্রতি সাধারণ মানুষের আসক্তি? সোশ্যাল সাইট জুড়ে রমরমিয়ে চলছিল 'বয়েজ লকার রুম' নামের গ্ৰুপ। নামজাদা একাধিক স্কুলের ছাত্রদের নিয়ে তৈরী হয়েছে এই অশালীন গ্ৰুপ।


সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামের এক গ্রূপের কথোপকথন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। গ্রূপের নাম? বয়েজ লকার রুম (Bois Locker room)। অশালীন ছবি পোস্ট করা সহ বিকৃত যৌন আলোচনা চলত গ্রূপে। যৌন ফ্যান্টাসি নিয়ে আলোচনার এ যেন এক অবাধ বচরণস্থল!


এরপরই জল গড়ায় আদালত পর্যন্ত। হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন কেএন গোবিন্দাচার্য। তিনি অভিযোগ করেন, অত্যন্ত অশালীন ছবি সহ বিকৃত যৌন আলোচনা চলে ওই গ্রূপে। যুবপ্রজন্মের ওপর এর প্রভাব ভয়ঙ্কর হতে পারে। অবিলম্বে বয়েজ লকার রুম ও ওই জাতীয় সব অশালীন গ্ৰুপ বন্ধ করার দাবি জানান তিনি।


প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এই গ্ৰুপ নিয়ে পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে আরো এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। গ্রূপে ছেলেদের মধ্যে রয়েছেন এক মেয়েও! ভুয়ো প্রোফাইল বানিয়ে ছেলে সেজে সেই ফ্যান্টাসি আলোচনায় যোগ দিতেন বলে জানা যায়।


এরপরই নড়েচড়ে বসে হাইকোর্ট। কেএন গোবিন্দাচার্যের করা মামলার শুনানিতে এদিন হাইকোর্ট নোটিস পাঠাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সহ তিন সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম ফেসবুক, গুগল ও টুইটারকে। বিচারক রাজীব সহাই এন্ডলো এবং সংগীতা ঢিংরা সেগালের বেঞ্চ নোটিসে চানতে চায় এই গ্রুপগুলি বন্ধ করার বিষয়ে তাদের অবস্থান কী। মামলার পরবর্তী শুনানি ১৪ জুলাই। তার আগেই এ বিষয়ে নিজেদের মতামত জানাতে হবে তাদের।

আপনার মতামত জানান

পূর্ববর্তী খবর পরবর্তী খবর