প্রতীকী চিত্র


অভিজিৎ হাজরা, হাওড়া : করোনার চোখ রাঙানিতে কার্যত বিপর্যস্ত গোটা বিশ্ব। গোটা দেশের সঙ্গে রাজ্যেও জারি হয়েছে লকডাউন। তাতে সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ। নেই কাজ, এই অবস্থায় হেঁসেল চালু রাখাই অনেকের কাছে কষ্টের হয়ে উঠেছে। করোনা দুর্যোগের মধ্যেই এবার ঘনিয়ে আসছে আরও এক বিপদ। প্রবলতর শক্তিবৃদ্ধি করে বাংলার দিকে ধেয়ে আসছে 'আম্ফান'।


সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকাগুলির পাশাপাশি 'আম্ফান' ঘূর্ণিঝড় হাওড়া, হুগলী সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ব্যাপকভাবে প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আবহাওয়াদপ্তর। আবহাওয়াদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, হাওড়া জেলায় প্রাথমিক ভাবে ৭০-৭৫ কিমি বেগে বইবে ঝড়। ধীরে ধীরে সেই গতিবেগ পৌঁছবে ১০০ কিমি প্রতি ঘন্টায়। এর পাশাপাশি চলবে ব্যাপক বৃষ্টিপাত।


হাওড়া জেলা প্রশাসন দূর্যোগ মোকাবিলায় সমস্ত রকম ভাবে প্রস্তুত রয়েছে। জানা গেছে, হাওড়া জেলা সদরে 'আম্ফান' মোকাবিলায় হাওড়া পুরসভা একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ইতিমধ্যে হাওড়া পুরসভার বিভিন্ন ব্যুরোয় বিশেষ কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে। পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুত রাখা হয়েছে গ্যাসকাটার, পাম্পিং মেশিনের পাশাপাশি খাদ্যসামগ্ৰী। বিশেষ ভাবে নজর রাখা হচ্ছে বিপজ্জনক বাড়ি, হোডিং এবং বড় গাছ গুলির দিকে।

প্রতীকী চিত্র


হাওড়া প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, হাওড়া পুরসভার পাশাপাশি হাওড়া জেলার বিভিন্ন ব্লকের বিডিও, অফিসার, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, কর্মাধ্যক্ষ, পঞ্চায়েত প্রধান ও সদস্য-সদস্যাদের তৎপর থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে WBSEDCL, CESC, দমকল ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যদের।


ইতিমধ্যে উলুবেড়িয়ায় কেন্দ্রীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দলের সাথে প্রস্তুত রাখা হয়েছে যথেষ্ট সিভিক ভলান্টিয়ার, রাজ্য সিভিল ডিফেন্সের সদস্যদের। জানা গেছে, উলুবেড়িয়ায় জলের পাউচ প্রস্তুতকারক একটি মেশিনও মজুত করা হয়েছে। হাওড়া জেলা প্রশাসনের তরফে খোলা হয়েছে বিশেষ কন্ট্রোলরুম।

আপনার মতামত জানান

পূর্ববর্তী খবর পরবর্তী খবর