দীর্ঘ লকডাউনের পর ভারতের ঘরোয়া বিমান পরিষেবা চালু হওয়ার কথা 25 শে মে থেকে। কিন্তু বর্তমানে ভারতের সবচেয়ে বেশি করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রাজ্য মহারাষ্ট্র এই মুহূর্তে বিরোধী। এখন আবার পশ্চিমবঙ্গও এই মুহূর্তে ঘরোয়া বিমান পরিষেবা চালু করার ক্ষেত্রে অমত প্রকাশ করলো। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, বাগডোগরা এবং কলকাতায় তিনি কিছুদিনের জন্য বিমান পরিষেবা চাইছেন না। 25 তারিখ থেকে বিমান পরিষেবা চালু হওয়ার কথা থাকলেও ভারতে করোনা সংক্রমণ হুহু করে বেড়েই চলেছে। কিন্তু করোনা ভাইরাসের জেরে চতুর্থ পর্বের লকডাউন ও আমফান সাইক্লোন পরবর্তী ক্ষতির জেরে এই সময় বাংলা বিধ্বস্ত। ত্রাণকার্য শুরু হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন ইতিমধ্যেই মুখ্য সচিব বিমানমন্ত্রীর সঙ্গে এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। কলকাতায় 30 তারিখ এবং বাগডোগরায় অন্তত 28 তারিখ পর্যন্ত কোনও ঘরোয়া বিমান পরিষেবা চালু না করার জন্য আবেদন করা হয়েছে।
মহারাষ্ট্রের পক্ষ থেকে গতকাল অর্থাৎ শনিবার জানানো হয়েছে যে, মে মাসের 19 তারিখে চতুর্থ দফার যে লক ডাউনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাতে কোনও পরিবর্তন আনা হয়নি। উড়ান পরিষেবার ক্ষেত্রে কিছু কিছু ছাড় দেওয়া হয়েছে।
রাজ্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে যে বিশেষ ট্রেন চালু করা হয়েছিল তা বন্ধ করার জন্য আবেদন করেছে। একাধিক জেলা প্রশাসন আমফানের জন্য ক্ষতির ভরপূরণ করতে ত্রাণকার্য শুরু করে দিয়েছে। ফলে এই অবস্থায় স্পেশাল ট্রেন রিসিভ করা সম্ভব হবে না।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন যারা বাইরের রাজ্য থেকে কাজ করে ফিরছে তাঁদের 14 দিনের কোয়ারান্টিনে রাখা হচ্ছে। এছাড়া কেন্দ্রীয় সরকার ঝড়ের পরবর্তী পর্যায়ে লড়াই করার জন্য সহায়তা করেছেন।

Post a Comment