বিশ্বে করোনা প্রকোপ ঠেকাতে চলছে লকডাউন। সব দেশ নিজের নিজের স্ট্রাটেজি ব্যবহার করছে লকডাউন সফল করতে। সেই পথে হেঁটে দেশেও জারি হয়েছে লকডাউন। চলবে আগামী ৩ মে পর্যন্ত। সোশ্যাল ডিস্ট্যানসিং মেনে চলতে পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্য আধিকারিকরা।
এই দুর্দিনে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা নতুন চিন্তার ভাঁজ ফেললো চিকিৎসকদের কপালে। গবেষণার ফলে বলা হয়েছে, যেভাবে লকডাউন পালন করা হচ্ছে তাতে পুরোপুরি ঠেকানো যাবে না করোনাকে। সোশ্যাল ডিস্ট্যানসিং মানা হচ্ছে ঠিকই, তবে আরও কড়া নিয়ম করতে হবে। পুরোপুরি করোনা নির্মূল করে জীবনের স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে এই ডিস্ট্যানসিং মানতে হতে পারে ২০২২ সাল পর্যন্ত।
মোটের ওপর, নতুন খবরে চিন্তা বাড়াল হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা। দেশে মোট ৪০ দিনের লক ডাউন চলছে। কাজ বন্ধ থাকায় নাভিশ্বাস উঠেছে দুঃস্থ পরিবার গুলির। এখানেই শেষ নয়! সৌহার্দ্য দেখাতে ভারতে নমস্কার জানানোর রীতি রেওয়াজ থাকলেও পশ্চিমী দেশ গুলি অভ্যস্ত আলতো চুমু বা হ্যান্ডশেক পদ্ধতিতে। সোশ্যাল ডিস্ট্যানসিং থাকায় তাদের রীতি বদলে রাতারাতি আপন করতে হয়েছে ভারতীয় নমস্কার পদ্ধতিকে! এতে মানসিক চাপ বেড়েছে। অবসাদে ভুগছেন অনেকেই। এরপর যদি টানা ২ বছর এই ডিস্ট্যানসিং মানতে হয়, তাহলে ফলাফল কি হবে তা ভেবেই দুশ্চিন্তায় বিভিন্ন মহল।

Post a Comment