দেশে প্রথম পর্যায়ের লকডাউনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আজ। তবে তার আগেই তা বাড়ানো হয়েছে ৩ মে পর্যন্ত। এক্ষেত্রে মানুষ ঘরবন্দি থাকায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছে শ্রমিক ও দিনমজুরদের। ক্ষতির হার কমাতে তাই ২০ এপ্রিল এর পর শর্ত সাপেক্ষে ছাড়ের ইঙ্গিত দিলেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, সঠিক সময়ে সিদ্ধান্ত না নিলে দেশের অবস্থা খারাপ হতে পারত। লকডাউন ডেকে অনেকটা সুফল পাওয়া গিয়েছে। তবে নরম বার্তার সঙ্গে সঙ্গে হুঁশিয়ারির সুরে তিনি বলেন, লকডাউন সফল করতে রাজ্য গুলির করা ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, লকডাউন না মেনে রাজ্যে বহু জায়গায় ধর্মীয় জমায়েত হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। চিঠিও দেওয়া হয়েছিল রাজ্যকে। জমায়েত দেখেও দেখছে না পুলিশ, এমন অভিযোগও তোলা হয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে।

Post a Comment