লকডাউনে বন্ধ পরিবহন থেকে কলকারখানা। ঘরবন্দি সাধারণ মানুষ। সব ক্ষেত্রেই মোটা অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি হবে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞ মহলের। ক্ষতির আশঙ্কা করা হয়েছিল চা শিল্পেও। ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে চা বাগান গুলিতে শুরু হয় 'ফার্স্ট ফ্ল্যাশ' পাতা তোলার কাজ। এবছর লক ডাউনের জেরে তা সম্ভব হয়নি। বড়োসড়ো ক্ষতির আশঙ্কা প্রকাশ করে ইন্ডিয়ান টি এসোসিয়েশন। এরপরই নড়েচড়ে বসেছিল কেন্দ্র। ২৫% শ্রমিক নিয়ে বাগান খোলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।
এবার একই রাস্তায় হাঁটলো রাজ্য। ৫০% শ্রমিক সহ কাজ শুরুর আবেদন করলেও সরকারী তরফে ২৫% শ্রমিক নিয়ে কাজ শুরুর ছাড়পত্র পেলো রাজ্যের চা বাগানগুলি।
উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পঙ ও আলিপুরদুয়ার জেলায় চা উৎপাদন সর্বাধিক। প্রতি বছর চা রপ্তানি করে দেশের পকেটে আসে মোটা অঙ্কের বিদেশী মুদ্রা। সেই সারসাম্য বজায় রাখতে তাই ছাড় দেওয়া হল ২৫% শ্রমিককে। তবে সূত্রের খবর, ৫০% শ্রমিক পেতে পুনরায় আবেদন করতে পারে টি এসোসিয়েশন।

Post a Comment