লকডাউনের জেরে বন্ধ কাজ। ঘরবন্দি সাধারণ মানুষ। দিন আনি দিন খাই পরিবারে টান ধরেছে খাদ্যের ভাঁড়ারে। ব্যতিক্রম নন ছিটমহলের বাসিন্দারাও। তাঁদের অভিযোগ, ঠিকমতো রেশন পাচ্ছেন না তারা। নেই কাজ। দুবেলা খাবার জোটানোই এখন কষ্টকর হয়ে উঠেছে ছিটমহলের বাসিন্দাদের।
ছিটমহল ছেড়ে এদেশে আসার পর সরকার দায়িত্ব নিয়েছে তাঁদের। রেশনে প্রতি মাসে ৩০ কেজি চাল, ৫ কেজি ডাল, ৫ লিটার রান্নার তেল, ১ কেজি লবন, ১.৫ কেজি গুঁড়ো দুধ ও ৫.৫ লিটার কেরোসিন তেল পান তারা। কিন্তু অভিযোগ, লকডাউনের পর তাঁদের খোঁজ আর কেউ করে না। রেশনে চাল পাওয়া গেলেও দেওয়া হয়না অন্যান্য সামগ্রী।
ছিটমহলের এক বাসিন্দা জয়প্রকাশ রায় বলেন, আমরা কিভাবে দিন কাটাচ্ছি কেউ তার খোঁজ রাখে না। অন্য সময় কাজ করে সেই টাকায় সংসার চালাই। কিন্তু এখন লকডাউনের ফলে কাজ নেই। দুবেলা খাবার জোটানোই তাই কষ্টের হয়ে উঠেছে।
অপরদিকে, হলদিবাড়ির পার্মানেন্ট রিহ্যাবিলিটেশন ক্লাস্টারে ফ্ল্যাট নম্বর আই 2-এর বাসিন্দা যদু বর্মণ,তেহেলু বর্মণরা বলেন, 2 মাস পর পর রেশন পাই। মাঝে মাঝে সময়মতো সামগ্রী পাওয়া যায় না। বাচ্চাদের দুধ নেই, ওঁদের কি খাওয়াবো বুঝতে পারছি না।
উল্লেখ্য, হলদিবাড়ীর এই ক্যাম্পটিতে মোট ১৯৬ টি পরিবারের বাস। জনসংখ্যা প্রায় ৫০০.

Post a Comment