স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পর এবার করোনার থাবা নীতি আয়োগের সদর দপ্তরে। অফিসের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের শরীরে মিলল COVID-১৯ জীবাণু। খবর ছড়িয়ে পড়তেই তাঁর সংস্পর্শে আসা দপ্তরের অন্যান্য কর্মী ও আধিকারিকদের
কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয় কার্যালয় এবং কাজ শুরু হয় স্যানিটাইজেশনের। ডেপুটি সেক্রেটারি অজিত কুমার জানান, "আগামী ৪৮ ঘন্টার জন্য দপ্তর বন্ধ থাকবে।"



কেন্দ্রীয় সরকারের 'থিঙ্ক ট্যাঙ্ক' হচ্ছে 'নীতি আয়োগ'। যাবতীয় নীতি নির্ধারণের দায়িত্ব এই বিভাগের কর্মকর্তাদের ওপরই থাকে। করোনার ফলে উদ্ভূত বর্তমান পরিস্থিতিতে এই বিভাগের আধিকারিকদের কাজের দায়িত্ব বেড়েছে বহুগুন। কোন পরিস্থিতিতে সরকারের কি সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিৎ তা নির্ধারণ করে দেয় এখানকার আধিকারিকরাই। আর এরই মধ্যে আক্রান্ত হলেন এই বিভাগেরই একজন আধিকারিক। ফলে চিন্তা বেড়েছে কেন্দ্রের। ওই আধিকারিকের সংস্পর্শে কারা এসেছিলেন তাঁদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। এই বিভাগের সকলকেই কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।



দিল্লিতে নীতি আয়োগের দপ্তরে এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই আতঙ্ক শুরু হয়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে দপ্তর বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং শুরু করা হয় স্যানিটাইজেশনের কাজ। আগামী ৪৮ ঘন্টা দপ্তরের কাজ বন্ধ থাকলে, কেন্দ্রের একাধিক কাজে কিছুটা সমস্যা হতে পারে বলে আশঙ্কা।

আপনার মতামত জানান

পূর্ববর্তী খবর পরবর্তী খবর