করোনা ভাইরাস মোকাবিলার জন্য এবছরই ভারতীয় সংস্থা সেরাম ইনস্টিটিউট সম্ভাব্য ভ্যাকসিনের ৬ কোটি ডোজ তৈরি করার পরিকল্পনা করছে। বিশ্বের সর্ববৃহৎ ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারী সংস্থা হলো এটি। যে ভ্যাকসিন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষামূলকভাবে তৈরি করা হয়েছে, সেটিই সেরাম বেশি পরিমাণে তৈরি করছে ।
ব্রিটেনে মানুষের উপর ভ্যাকসিনের পরীক্ষা শুরু হয়েছে গত সপ্তাহ থেকেই। তবে আদৌ ভ্যাকসিনের দ্বারা কোনও ফল পাওয়া যাচ্ছে কি না, সেটা এখনও স্পষ্ট জানা যায়নি। কিন্তু কিছু প্রাণীদের উপর এই ভ্যাকসিন প্রয়োগের ফলে আশানুরূপ সুফল পাওয়া গিয়েছে। সে কথা মাথায় রেখেই এই সম্ভাব্য ভ্যাকসিন তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন আদর পুনাওয়ালা (সেরামের চিফ এগজিকিউটিভ)। তিনি একটি সংবাদসংস্থাকে সাক্ষাৎকারে বলেছেন, "অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞরা অত্যন্ত দক্ষ ও অভিজ্ঞ। যেহেতু আমাদের সংস্থা সরকারি না, তাই বিনিয়োগকারী বা ব্যাঙ্ক-এর কাছে কোনো দায়বদ্ধতা নেই। সেই কারণে আমি অল্প ঝুঁকি নিতে পারি।"
সারা পৃথিবীতে কম পক্ষে ১০০টি আলাদা আলাদা ভ্যাকসিন নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে তৈরি করা এই ভ্যাকসিনের পরীক্ষা নিরীক্ষা প্রায় সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে বলে এটিই সফল রূপ পাবে, তিনি আরও বলেছেন যে, যদি এই ভ্যাকসিনের পরীক্ষা সফল রূপ পায় তাহলে আগামী বছর আরও প্রায় ৪০ কোটি ডোজ তৈরি করা হবে। বিদেশে এই ভ্যাকসিন পাঠানোর আগে দেশের মানুষকে বিনামূল্যে এই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হবে।

Post a Comment