শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন ক্রিকেটের ডাকওয়ার্থ লুইস মেথোড এর উদ্ভাবকের একজন, নাম টনি লুইস। ৭৮ বছর বয়সে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন। গণিতবিদ ফ্র্যাঙ্ক ডাকওয়ার্থ ও টনি লুইস একসঙ্গে ১৯৯৭ সালে ওয়ানডে ক্রিকেটের জন্য ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতির উদ্ভাবন করেছিলেন। বৃষ্টি অথবা অন্যান্য কোনো কারণে ম্যাচ এর বিঘ্নতা ঘটলে পরে ব্যাটিং করা দলের লক্ষ্য কতটা হতে পারে টা নির্ধারণ করতেই এই পদ্ধতির উদ্ভাবন করেছিলেন এই দুজন। এই পদ্ধতি উদ্ভাবনের দুই বছর পর আইসিসি সেটা কে ক্রিকেটে অনুমোদন করেন। কিন্তু ২০১৪ সালে তার নাম পরিবর্তন করা হয়। অর্থাৎ ডিএল থেকে ডিএলএস করা হয়। যার পুরো নাম ডাকওয়ার্থ লুইস স্টার্ন।



 স্টিভেন স্টার্ন ছিলেন একজন অস্ট্রেলিয়ার অধ্যাপক। তিনি মূল নিয়মে কিছু পরিবর্তন করেছিলেন বলেই তার নামও জুড়ে দেওয়া হয়। আটের দশক থেকে বৃষ্টি ও অন্যান্য কোনো কারণে বিঘ্নিত হওয়া ম্যাচের হিসাব নিকাশ বের করার জন্য কাজ করছিলেন ডাকওয়ার্থ। কিন্তু কেউই তার সেই প্রস্তাবে সে সময় সায় দেননি।



 সর্ব প্রথম ১৯৯৭ সালে জিম্বাবোয়ে বনাম ইংল্যান্ডের ম্যাচে ডি এল পদ্ধতির চালু করা হয়। প্রথমে ব্যাট করে ২০০ রান করেছিল জিম্বাবোয়ে। কিন্তু এর পরই শুরু হয় বৃষ্টি। এবং ডিএল পদ্ধতির প্রয়োগে ল্যক্ষ দাড়ায় ৪২ অভারে ১৮৬ রান। এই নিয়ম আবিষ্কার করার আগে বিঘ্নিত হওয়া ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণে অনেক সমস্যা হতো। অনেক ক্ষেত্রে পরে ব্যাটিং করা দলের জন্য লক্ষ্যমাত্রা থাকতো অদ্ভুত। যেমন ১৯৯২ এর বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ইংল্যান্ডের ম্যাচ বৃষ্টির কারণে বিঘ্নিত হয়। বৃষ্টি আসার আগে দক্ষিণ আফ্রিকার দরকার ছিলো ১৩ বলে ২২ রান। কিন্তু বৃষ্টি কমার পরে তা হয়ে গেলো ১ বলে ২২ রান। এই অসুবিধার জন্যই ফ্র্যাঙ্ক ডাকওয়ার্থ ও টনি লুইস এক সঙ্গে ডাক ওয়ার্থ লুইস এর আবির্ভাব করেন।

আপনার মতামত জানান

পূর্ববর্তী খবর পরবর্তী খবর