সারাবিশ্বে করুন অথবা বড়োসড়ো আকার ধারণ করেছে। ইতালি ইরান আমেরিকা এবং লন্ডনে মৃত্যু-মিছিল শুরু হয়ে গিয়েছে এই করোনার আক্রমণে। ইতিমধ্যে ভারতেও এক হাজারের বেশি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। এই কঠিন পরিস্থিতিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমস্ত দেশকে 21 দিনের লকডাউন দিয়েছেন। ক্যান্ডি এই সিদ্ধান্তকে ভারতীয় ক্রিকেটের এককালের নির্ভরযোগ্য অফস্পিনার হরভজন সিং একহাত নিয়েছেন। তিনি বলেছেন কেন্দ্রের ভাবা উচিত ছিল, লন্ডনের পর গরীব মানুষরা কি খাবে, কি পড়বে, যারা দিন আনে দিন খায় তাদের অবস্থা কি হবে। সরকারের উচিত ছিল এই গরীব ভারতবাসীর উপর যথাসাধ্য যত্ন নেওয়া। তারা যেন কোনো সমস্যায় না পরে সেই দিকে নজর দেওয়া। তাদের উচিত ছিল গরিবদের আশ্বাস দেওয়া। যে খাদ্যের এবং অর্থের কোন রকম অভাব হবে না।
প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির দেওয়া নির্দেশে 21 দিনের লকডাউন হয় দেশ। এই কঠিন অবস্থায় দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে পরিযায়ী দিনা দিন খাওয়া শ্রমিকদের। কাজ খুইয়ে এবং অস্থায়ী বাসস্থান হারিয়ে তারা হয়ে গেছে প্রায় এক প্রকার যাযাবর। তাদের অধিকাংশই বিহারের কোন দেহাতি গ্রামে অথবা ওড়িশা সংলগ্ন কোন গ্রামে অথবা বাংলার কোন এক প্রান্তে। লকডাউন এর জন্য আটকে ছিলেন দিল্লিতে। শনিবার রাতে দিল্লিতে আনন্দ বিহার বাস স্ট্যান্ডে দেখা যায় হাজার হাজার পরিযায়ী শ্রমিকদের। তারা কোন রকম উপায় খুঁজে না পেয়ে করোনা সংক্রমণের ভয় দূর করে সরকারের দেওয়া বাসে বাড়ি ফিরছিলেন তারা।
এই ছবি দেখে উদ্বিগ্ন হরভজন সিং বললেন " সরকারের উচিত ছিল তাদের কথা ভাবা, তাদের থাকার মতো বাসস্থান নেই খাবার মত অন্ন নেই হাতে কাজ নেই, এই অবস্থায় তারা প্রায় অসহায়। তারা তাদের প্রিয়জনদের কাছে ফেরার চেষ্টা করছিলেন। সরকারের উচিত ছিল তাদের জন্য কষ্ট না হয় সেই দিকে নজর দেওয়া। এখন একটু বন্ধ হওয়ার সময়। দেশের জন্য যতটা ভালো করা যায় ততটা ভালো করা দরকার।"

Post a Comment