নব-দিগন্ত নিউজ ডেস্ক: সত্যি কী খুলছে সুশান্ত সিং রাজপুত মৃত্যু রহস্যের জট? তবে কী গ্রেপ্তার হবেন রিয়া চক্রবর্তীও। ‘ড্রাগ অ্যাঙ্গেলের’ সূত্র ধরে অভিনেত্রীর ভাই সৌভিক চক্রবর্তী এবং নিহত অভিনেতার প্রাক্তন হাউস ম্যানেজার স্যামুয়েল মিরান্ডার গ্রেপ্তারিতে যেন সেই প্রশ্নই আরও মাথাচাড়া দিচ্ছে। ধৃতদের দু’জনকেই শনিবার আর কিছুক্ষণের মধ্যেই পেশ করা হবে আদালতে। এদিন সকালে ধৃতদের সঙ্গে নিয়ে মুম্বইয়ের অফিসে যান নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর আধিকারিকরা।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর তাদের সিওন হাসপাতালে শারীরিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। তবে মাদক সম্পর্কিত কোনও পরীক্ষা নয়। আধিকারিকদের দাবি, কোভিড পরীক্ষার জন্যই হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে রিয়ার ভাই সৌভিক এবং সুশান্তের প্রাক্তন হাউস ম্যানেজার স্যামুয়েলকে। এনসিবি আধিকারিকদের দাবি, আর কিছুক্ষণের মধ্যে আদালতেও পেশ করা হবে অভিযুক্তদের।
এদিকে, NCB আধিকারিকদের ভূমিকায় অত্যন্ত খুশি সুশান্তের দিদি শ্বেতা সিং কীর্তি। টুইটে তিনি লেখেন, “দারুণ কাজ করছেন…ঈশ্বরকে ধন্যবাদ। শুরুটা খুব ভাল হল, এনসিবি।”প্রশ্ন উঠছে তবে কী আধিকারিকদের পরবর্তী টার্গেট রিয়া? সূত্রের খবর, এনসিবি’র গোয়েন্দাদের কাছে শুক্রবার শৌভিক কবুল করে নিয়েছে, দিদি রিয়াই তাকে মাদক জোগাড় করতে বলেছিল। সৌভিক মেনে নিয়েছে দিদির কথা শুনেই তিনি মিরান্ডার সঙ্গে যোগাযোগ করে মাদকের ব্যবস্থা করে। এর আগে স্যামুয়েল মিরান্ডাও গোয়েন্দাদের কাছে একই স্বীকারোক্তি করেছিল। সাফ জানিয়েছিল, ভাই-বোনের কথামতোই সুশান্তের জন্য ‘ডুবি, বাড’ প্রভৃতির আয়োজন করত। সেই বয়ানের ভিত্তিতেই গ্রেপ্তারি। ইতিমধ্যেই রিয়ার মোবাইল ফোনটি বাজেয়াপ্ত করেছে এনসিবি। সেটি পরীক্ষার জন্যও পাঠানো হয়েছে। সূত্রের খবর, ভাইয়ের চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তির পর এনসিবি কর্তাদের র্যাডারে পরবর্তী নামই হল রিয়া এবং তাঁর বাবা ইন্দ্রজিৎ চক্রবর্তী।

Post a Comment