নব-দিগন্ত নিউজ ডেস্ক: চিত্রটা প্রতিবছর প্রায় একই রকম। বৃষ্টি হলে বন্যায় ভেসে যায় অসম রাজ্যটি। যার ব্যতিক্রম এ বছরও হয়নি। আর এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ হয় অবলা বন্যপ্রাণীদের।



অসমের বিখ্যাত জাতীয় উদ্যান কাজিরাঙ্গা প্রায় প্রতিবছরই জলের নিচে চলে যায়। ফলে বহু বন্য প্রাণীর মৃত্যু ঘটে। আর এই বছর বন্যার জন্য মৃত্যু হয়েছে 9 টি গন্ডার এবং 82 টি হরিণের। তাই আসামের সরকার এই সমস্যার থেকে খুব তাড়াতাড়ি মুক্তির রাস্তা খুঁজে বেড়াচ্ছে। তারপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কাজিরাঙ্গার মধ্যে 32 কিমি কৃত্রিম জমি বানানো হবে।


এই জমি ভূপৃষ্ঠ থেকে অনেকটাই উঁচুতে থাকবে। যাতে বন্যার সময়ে পশুরা এই জমির উপর আশ্রয় নিতে পারে। সাধারণত প্রকৃতিগত ভাবে সৃষ্ট জমির উচ্চতা 20 কিমি উঁচু। এছাড়াও রয়েছে 144 টি কৃত্রিম হাইল্যান্ড। যার মধ্যে 1990 সালের 111 টি তৈরি করা হয়েছিল। আর বাকি 33 টি তৈরি করা হয় 2019 সালে।



কিন্তু যে পরিমাণ বন্যপ্রাণী প্রতিবছর বিপদে পড়ে সেগুলিকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য এই হাইল্যান্ড গুলি যথেষ্ট না। যার কারণে আসামের সরকার এই 32 কিমি জমিটি তৈরি করতে চলেছে। আর এটিই হতে চলেছে জাতীয় উদ্যানের তৈরি করা সবচেয়ে বড় হাইল্যান্ড।

আপনার মতামত জানান

পূর্ববর্তী খবর পরবর্তী খবর