File Photo
নব-দিগন্ত নিউজ ডেস্ক: করোনা উপসর্গ নেই বা সামান্য উপসর্গ আছে এমন রোগীদের বাড়িতে থেকে চিকিৎসার পরামর্শ দিয়েছিল রাজ্য। বলা হয়েছিল, সেল্ফ-আইসোলেশনে থাকা রোগীদের নজরদারি চালাবে স্বাস্থ্য আধিকারিকরাই। শ্বাসকষ্ট হলে তাঁদের ভর্তি করা হবে হাসপাতালে। আর এইসব বাড়িগুলিকে 'সেফ হোম' নাম দিয়েছে রাজ্য।
এবার রাজ্যের এই 'সেফ হোম' এর আইডিয়ার প্রশংসা করলেন কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেট সচিব রাজীব গৌবা। এই উপায়ে গোষ্ঠী সংক্রমণ রোখা যাবে বলে জানিয়েছেন তিনি। রাজ্যের মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা জানিয়েছেন, কলকাতা-সব বিভিন্ন জেলায় একাধিক ‘সেফ হোম’ তৈরি করা হয়েছে। যা দেশের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গই প্রথম।
এখন পর্যন্ত রাজ্যে ১০৬টি ‘সেফ হোম’ তৈরি করা হয়েছে। তবে, কলকাতা-সহ বেশ কিছু জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে, তাতে উদ্বিগ্ন নবান্ন। কলকাতা, হাওড়া, দুই ২৪ পরগনা-সহ ৬টে জেলায় সবচেয়ে বেশি করোনা আক্রান্তের খবর মিলছে। বিভিন্ন জেলায় সমীক্ষা চালিয়ে গোষ্ঠী সংক্রমণ রুখতে হোম আইসোলেশন ইউনিট তৈরির সিদ্ধন্ত নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, কন্টেন্টমেন্ট জোন গুলির মতো সেফ হোম গুলিকে বাঁশ দিয়ে ঘেরাও করতে নারাজ রাজ্য। নবান্নের এক কর্তার কথায়, করোনা একটি রোগ, যা সেরে যায়। করোনা রোগকে রোখাই সরকারের একমাত্র লক্ষ্য। রোগীর মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করা নয়। তিনি বলেন, “করোনা হলে সেই ব্যক্তিকে বা তাঁর পরিবারকে যেন অচ্ছুত করে রাখা না হয়। গোষ্ঠী সংক্রমণ ঠেকাবার জন্য সামাজিক দূরত্ব মানা, মাস্ক পড়া অবশ্যই দরকার।” সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গের এই 'সেফ হোম' মডেল অনুসরণ করে উপকৃত হয়েছে রাজস্থান।

Post a Comment