পাড়ার মোড়ে চায়ের দোকান থেকে ইন্টারনেটে সবখানেই একই আলোচনা সেটা হল করোনা ভাইরাস। এমনকি বিমান চালানোর সময় বিমানের দুই পাইলট নাকি এই করোনা ভাইরাস নিয়ে আলোচনা করছিলেন। তার জন্য মনভ্রষ্ট হওয়ায় সিগন্যাল না বুঝতে পেরে বিমান দুর্ঘটনা হয় পাকিস্তানে। ১০৭ জন বিমান যাত্রীর মৃত্যু হয় ওই দুর্ঘটনায়। পাকিস্তানের অসামরিক বিমান মন্ত্রী গুলাম সারওয়ার খান সংবাদ সংসদে এই কথাটি জানান।



২২ মে দুপুরের দিকে পাকিস্তানের করাচি বিমানবন্দরের পাশে জিন্না গার্ডেন এলাকার মডেল কলোনিতে দুর্ঘটনায় ভেঙ্গে পড়ে পাকিস্তান এয়ারলাইন্সের একটি বিমান। যার ফলে ১০৭ জন প্রাণ হারান এবং চারটি বাড়ি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। এই ঘটনার জন্য টুইটারে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান শোক প্রকাশ করেন। এমনকি কীসের জন্য, কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটলো তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়। 


প্রথমে আন্দাজ করা হয়েছিল যে বিমানের ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে যাওয়ায় যান্ত্রিক সমস্যার জন্য এই ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটে। কিন্তু সংসদে দাঁড়িয়ে পাকিস্তানের বিমান মন্ত্রী এই অভিযোগ অস্বীকার করে ফেলেন। তিনি বলেন, "বিমানের যন্ত্রাংশে কোনও রকম গন্ডগোল ছিল না। মানুষের ভুলেই ঘটেছে দুর্ঘটনা।" 



তিনি আরও বলেন, "বিমান চালানোর সময় পাইলট, কো পাইলট নিজেদের মধ্যে করোনা ভাইরাস নিয়ে আলোচনা করছিলেন। যার ফলে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে বিমানটি।" মন্ত্রীর বক্তব্যে প্রচুর চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে পাকিস্তানে। উড়ান ইন্ডাস্ট্রি ও ফরাসি সরকারের একাধিক প্রতিনিধি নিয়ে একটি তদন্তকারী দল দুর্ঘটনার পরে ভয়েস রেকর্ডার ও ব্ল্যাক বক্স নিয়ে তদন্ত শুরু করেন।

আপনার মতামত জানান

পূর্ববর্তী খবর পরবর্তী খবর