তবে কি দেশে দুর্দিন এল? ভারতে করোনা ভাইরাস কতটা জাঁকিয়ে থাবা বসিয়েছে তার নমুনা মিলল মঙ্গলবার সকালে। স্বাস্থ্যমন্ত্রক একটি টুইট করে ঘোষণা করেন, গত ২৪ ঘন্টায় ভারতে ৬২ জন আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন। যে সংখ্যাটি এতদিনের সর্বোচ্চ সংখ্যা বলে মেনে নিলো স্বাস্থ্যমন্ত্রক। আক্রান্ত হয়েছেন ১৫৪৩ জন। এই সংখ্যাটি খুব একটা বিপদের বার্তার নয় তবুও দেশে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৯৩৪ জন। ভারতের মোট আক্রান্ত ২৯৪৩৫ জন। এই আক্রান্তের সংখ্যা এবং মৃতের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির অবনতির জন্য প্রশাসনের চিন্তা বাড়িয়ে তুলল কয়েকগুন।



 ভারত ইতিমধ্যে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ আটকাতে এবং তার বিরুদ্ধে মোকাবিলার জন্য সবরকম উপায় এবং সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে।  ইতিমধ্যে ভারত দু'দফায় দীর্ঘ ৪০ দিনের লকডাউন সম্পন্ন করে ফেলেছে প্রায়। ভারত সহ প্রতিটি রাজ্য লক ডাউনের মাধ্যমে গোষ্ঠী সংক্রমণের হাত থেকে রুখতে মরিয়া। দিন যাচ্ছে সেই সঙ্গে ভারতে চিকিৎসার সুযোগও বেড়ে চলেছে। দেশের অনেক নার্সিংহোম, সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালগুলো এগিয়ে এসেছে করোনা ভাইরাসের মোকাবিলার জন্য এবং রোগীদের চিকিৎসার জন্য। ভারত এতো শক্তিশালীভাবে কোমর বেঁধে করোনা মোকাবিলায় নামলেও কোনও প্রত্যাশিত ফল পাওয়া যাচ্ছে না। দুশ্চিন্তা ক্রমশ বেড়েই যাচ্ছে।



 গত কয়েকদিনে ভারতে যে পরিমাণ মৃত্যু হচ্ছে সেই হার দেখে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন যে পরিস্থিতি স্থিতিশীল। খুব একটা গভীর চিন্তা করার বিষয় নয়। কিন্তু দুর্দিন কি অবশেশে নেমে এলো? এমনটাই উঠে এসেছে গত 24 ঘন্টার মৃতের পরিসংখ্যানে। গত ২৪ ঘন্টায় মোট মৃত্যু হয়েছে ৬২ জনের। স্বয়ং স্বাস্থ্য আধিকারিকরাই যাকে "Sharpest ever" বলে টুইট করেছেন। গত কয়েকদিনে এই সংখ্যাটি ৩০ থেকে ৪৫ জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু গত ২৪ ঘন্টায় যেটি এক লাফে বেড়ে গেল ৬০ জন।  ফলে লক ডাউনের জন্য যে সংক্রমণ আটকানোর পদ্ধতি সফল হয়েছে সেটি এখনো স্পষ্টভাবে বলা যাচ্ছে না।

আপনার মতামত জানান

পূর্ববর্তী খবর পরবর্তী খবর