করোনা ভাইরাসের মত মারণ ভাইরাসকে আটকাতে গোটা বিশ্ব হিমশিম খাচ্ছে। দিনরাত এক করে গবেষণা করেও কোনও বিজ্ঞানী এর স্থায়ী ভ্যাকসিন আবিষ্কার করতে পারছেন না। নিজের শরীরের অভ্যন্তরে থাকা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হলো এই মারণ ভাইরাসের একমাত্র ওষুধ। কিন্তু আপনি কিভাবে বুঝবেন যে আপনার শরীরে থাকা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাচ্ছে বা কম কি না। নিম্নলিখিত লক্ষণগুলি থেকে জেনে নিন আপনার শরীরে রোগ-প্রতিরোধক্ষমতা যদি কম থাকে।
যদি কোন ব্যক্তির শরীরে এলার্জির সমস্যা থাকে তাহলে এই ভাইরাস সেই ব্যক্তির জন্য ভয়ঙ্কর। কারণ যেসব ব্যক্তির শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে তাদেরই এই এলার্জি সমস্যা হয়। যাদের অ্যালার্জির সমস্যা আছে তাদের যেমন জ্বর হয়, তেমনি শরীরের বিভিন্ন অংশে রস বের হয়। চোখ দিয়ে জল পড়তে থাকে যদি চোখের সংক্রমণ হয়। এবং শরীরের চামড়ায় ফুস্কুড়ি, অনেক ধরনের অ্যালার্জি ইত্যাদি হয়।
শরীরের কোন অংশে ক্ষত হলে সেই ক্ষতটা কত তাড়াতাড়ি সেরে ওঠে তা নির্ভর করে সেই ব্যক্তির শরীরের অভ্যন্তরে থাকা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উপর। আবার সর্দি কাশির রোগ যদি কারো শরীরে দ্রুত সেরে না যায় তাহলে বুঝতে হবে তার শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম।
একটি মানুষের খাবার হজম করার ক্ষমতাও নির্ভর করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উপর। যদি কোনও ব্যক্তির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে তাহলে তার হজম শক্তি কম হয়, অ্যাসিডিটি, কোষ্ঠকাঠিন্য, বদহজম ইত্যাদি রোগে ভুগতে পারে।
যদি পুরোপুরি বিশ্রামের পর পুনরায় শরীরে ক্লান্তি ভাব অনুভব হয় তাহলে বুঝে নিতে হবে আপনার শরীরে কোথাও কোনও গড়বড় আছে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম। তবে মানসিক ও শারীরিক বিভিন্ন কারণে ঘুম কম হওয়ার জন্য শরীর দুর্বল বোধ হতে পারে। এই কারণেও অনেকে ক্লান্ত বোধ করেন।
কোনও ব্যক্তির শরীরে যদি খুব দ্রুত এবং বারংবার সর্দি, জ্বর, কাশি ইত্যাদি রোগ হয় অর্থাৎ প্রতি দুই মাস অন্তর অন্তর সর্দি-কাশি থাবা বসায় তাহলে সেটা পরিষ্কার যে সেই ব্যক্তির শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম।

Post a Comment