অভিজিৎ হাজরা : কৃষক তার সহজাত অবস্থায় বিজ্ঞান সম্মত উপায়ে চাষাবাদে অগ্ৰণী ভূমিকা পালন করে চলেছে। হাওড়া জেলার উদয়নারায়নপুর, আমতা-র বিস্তীর্ণ এলাকার নদ-নদী, খাল-বিল, পুকুর-ডোবায় জল নেই। জল না থাকার কারণে হাজার-হাজার বিঘার জমির ফসল নষ্ট হতে বসেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন কৃষক জানালেন, তাদের এই মরসুমের ধান, শাক-সবজি, কড়াই, তৈলজাত  সবজি প্রায় নষ্ট হতে বসেছে।



সেচের জলের অভাব প্রসঙ্গে সেচ দফতর সূত্রে জানা গেছে, "বিশ্বব্যাঙ্কের আর্থিক সহায়তায় রাজ্যের কয়েকটি জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত নদ-নদী, খাল-বিল সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে ইতিমধ্যে। এ কারণে ডি.ভি.সি থেকে প্রথম দফায় চাষের জল এলেও পরবর্তী সময়ে সংস্কারের কাজ শুরু হওয়ার কারণে সেই জল দেওয়া বন্ধ রয়েছে। সম্প্রতি করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে নদ-নদী, খাল-বিল সংস্কারের কাজ বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে সংস্কারের কাজ শুরু করা যাবে না।"



এদিকে বৃষ্টির ও দেখা নেই। নোভেল করোনাভাইরাসকে সামনে রেখে কৃষকরা কৃষি কাজে লিপ্ত থাকলেও এই মরসুমে ফসল তারা কতটা তুলতে পারবেন তা নিয়ে যথেষ্ট চিন্তিত কৃষকরা। ইতিমধ্যে গ্ৰাম গুলিতে পুকুর,খাল-বিল শুকিয়ে ফাটল ধরতে আরম্ভ করেছে। বৃষ্টির আশায় কৃষকরা চাতক পাখির মতো অপেক্ষায় আছেন।



অ-সেচ এলাকার কৃষকরা নদ-নদী, খাল-বিল, পুকুরের জল সেচের কাজে ব্যবহার করে। সেচের জন্য কৃষকরা এই গুলির উপর নির্ভরশীল। আমতা ২ নং ব্লকের বিভিন্ন গ্ৰামীণ এলাকা গুলিতে গিয়ে দেখা গেল গৃহপালিত পশু থেকে শুরু করে নিত্য প্রয়োজনীয় জলের অভাবে গ্ৰামবাসীরা সংকটে। এলাকার অধিবাসীদের ব্যক্তিগত পুকুর গুলি ও শুকিয়ে যেতে বসেছে। এই প্রতিবেদনে আমতা ২ ব্লকের অমরাগড়ি থেকে কলসডিহির খালের চিত্র তুলে ধরা হল।

আপনার মতামত জানান

পূর্ববর্তী খবর পরবর্তী খবর